Breaking

Post Top Ad

Tuesday, May 4, 2021

দক্ষিনের দায় নেবে না উত্তর- ভোটের ফলাফলের পরই আলাদা রাজ্যের দাবীতে উত্তাল Social Media

দক্ষিনের দায় নেবে না উত্তর- ভোটের ফলাফলের পরই আলাদা রাজ্যের দাবীতে উত্তাল Social Media





২ রা মে ভোটের ফলাফল ঘোষিত হয়- যে ফলাফল বিজেপির প্রত্যাশাকে দুমড়ে মুচড়ে দেয়। তবে বিজেপির মুখ রক্ষা করেছে উত্তরবঙ্গের ফলাফল।


বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিলিগুড়ির বর্ধমান রোডের একটি ভবনে উত্তরবঙ্গের সমস্ত সাংসদ ও জেলা সভাপতিদের নিয়ে বৈঠক করেন রত্নাকর পান্ডে। সেখানে উত্তরবঙ্গের মোট ৫৪টি আসনের মধ্যে বিজেপির (BJP) লক্ষ্য স্থির হয় ৫০টি আসন এবং সেই লক্ষ্যেই দলের নেতা কর্মীদের ঝাঁপানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের বিজেপির এই সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক।


দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি-উত্তরের এই চার জেলায় রাজ্যের শাসক দল কার্যত ব্যার্থ। দার্জিলিং এ মোট ৬ টি আসনে একটিতে নির্দল প্রার্থী বাদে বাকি ৫ টিতেই বিজেপি জয়ী। আলিপুরদুয়ারে ৫ টি আসনের ৫ টিই বিজেপির দখলে। কোচবিহারে ৯ টি আসনে ৭ টি বিজেপির, জলপাইগুড়িতে ৭ টি আসনে ৪ টিতেই বিজেপি ।


তবে শুধু এই ৪ টি জেলা নয় উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদা সহ সমস্ত উত্তরবঙ্গকেই আলাদা রাজ্যে হিসাবে স্বীকৃতির দাবী উঠেছে।


এই দাবিতেই সরব হয়েছে স্যোসাল মিডিয়া। Twitter, Facebook, Instagram, Whatsapp এ ছড়িয়ে পড়ছে আলাদা রাজ্যের দাবী।


প্রসঙ্গত বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে গেরুয়া শিবির যতটা সাফল্য দেখিয়েছে ততটা ব্যর্থ দক্ষিণবঙ্গে। এই অবস্থায় শাসক দলের অত্যাচার ক্রমশ বেড়েই চলেছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উপর। তাই গেরুয়া শিবিরের একাংশ পৃথক রাজ্যের দাবীতে স্যোশাল মিডিয়ায় সোচ্চার হয়েছেন বলে বিশিষ্ট মহলের ধারণা। ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ এর মতো স্যোশাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে তারা জনমত বাড়িয়ে চলছেন। সদস্য সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলছে।

তাদের দাবী দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গ উন্নয়নের দিক থেকে চিরকাল বঞ্চিত। এমনকি শিক্ষা স্বাস্হ্য, কর্ম সংস্থান সকল ক্ষেত্রেই পিছিয়ে উত্তরবঙ্গ। তাই উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিকে নিয়ে পৃথক রাজ্য গঠনে তাদের আন্দোলন তারা চালিয়ে যাবেন।


এ প্রসঙ্গে কোচবিহার জেলার প্রাক্তন সাংসদ পার্থপ্রতিম রায় জানান- "উত্তরবঙ্গ আলাদা রাজ্য চাই কিংবা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল চাই বলে একদল মানুষ হঠাৎ করে ফেসবুক ও সামাজিক মাধ্যমে দাবী তুলছে। প্রথমে ভাবছিলাম একসময় গ্রেটার কোচবিহার, কামতাপুর পিপলস পার্টি কিংবা উত্তরখন্ডী বা গোর্ঘাল্যান্ড আন্দোলনকারীরাই কি নতুন করে আবার এই দাবী তুলছে? কিন্তু না। তারা কেউইই নয়। বরং খুঁজে দেখা গেল গত একবছর ধরে সামাজিক মাধ্যমে যারা বিজেপি এবার বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বলে প্রচারের ঝড় তুলেছিল, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে সমাজকে বিভক্ত করার কৌশল নিয়েছিল তারাই এখন বাংলাকে ভাগ করার জন্য উত্তরবঙ্গ কে আলাদা রাজ্য কিংবা কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল গড়ে তোলার দাবী তুলছে। বাংলা দখল করতে না পেরে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর নোংরা চক্রান্তে সামিল হচ্ছে।"


No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Your Ad Spot

Pages